তানজিমুল ইসলাম এর একগুচ্ছ কবিতা
কবিদের প্রস্থান হাসি মুখে প্রতিমা বিসর্জনের আনন্দ, মুক্তি পায় কালিমা ।অন্তর্ঘাতে যদি গুড়িয়ে দেয়া যায় প্রিয় ফুলদানি,তাতে নিজের ক্ষতি হলেও, […]
কবিদের প্রস্থান হাসি মুখে প্রতিমা বিসর্জনের আনন্দ, মুক্তি পায় কালিমা ।অন্তর্ঘাতে যদি গুড়িয়ে দেয়া যায় প্রিয় ফুলদানি,তাতে নিজের ক্ষতি হলেও, […]
বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রম্য লেখক মুজতবা আলী (১৯০৪-১৯৭৪)। যিনি আঠারোটি ভাষায় ভিন্ন ভিন্ন ভাবে নিজেকে উপস্থাপন করেছেন অত্যন্ত সাবলীলতায়।
আমাদের আজকের স্বরণীয় কবি গোলাম মোহাম্মদ। ২০০২ সালের ২২ আগষ্ট সুন্দরের কবি চলে গেছেন কায়ীক জীবনের ওপারে। মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর
সমাজ যে প্রতিনিয়ত বদলায় – এটা আমরা মোটামুটি জানি। কিন্তু প্রশ্ন হলো আমাদের সমাজের ক্ষেত্রে সেই পরিবর্তনটা ইতিবাচক না কি
কবি আবদুল কাদির (১৯০৬-১৯৮৪) অন্তত তিনটি কারণে বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে থাকবেন : তাঁর খাঁটি কবিসত্তা, বাংলা ছন্দের উপর অসাধারণ
মেঘ চিরে উড়ে গেল সার ধাতব পাখি ধ্বস্ত দালানে চাপা বালক একাকী ঊর্ধ্বে দেখে প্রার্থিত খেলনার বিমান যমদূতরূপে এসে ছুড়ে
স্বাধীনতা তুমি স্বাধীন হবেএই আশায় কেটে গেছে কতো যৌবনতবুও বার্ধক্যে তুমি স্বাধীন হওআমার স্বাধীনতা তুমি স্বাধীন হও। এই ভূ-খন্ডের সপ্নীল
তারও আগের গানটিও ছিলো আমাদের সম্ভ্রান্ত বিজয়েরছিলো আমাদের স্বকীয়তায় পল্লবিত বৃক্ষের সারিআমাদের ইতিহাসের এক আশ্চর্য নাম ষোলো ডিসেম্বরতোমরা তো জানোই