অনিন্দিতা
অনিন্দিতা, তোমাকে দেখলাম আজ বড় বেশি বিমর্ষ ক্যাম্পাসে | নীলক্ষেত মোড়ে সবুজের টংয়ের কিনারে চায়ে চুমুক নেই, হাসির গন্ধও নেই […]
কবিদের প্রস্থান হাসি মুখে প্রতিমা বিসর্জনের আনন্দ, মুক্তি পায় কালিমা ।অন্তর্ঘাতে যদি গুড়িয়ে দেয়া যায় প্রিয় ফুলদানি,তাতে নিজের ক্ষতি হলেও,
মেঘ চিরে উড়ে গেল সার ধাতব পাখি ধ্বস্ত দালানে চাপা বালক একাকী ঊর্ধ্বে দেখে প্রার্থিত খেলনার বিমান যমদূতরূপে এসে ছুড়ে
স্বাধীনতা তুমি স্বাধীন হবেএই আশায় কেটে গেছে কতো যৌবনতবুও বার্ধক্যে তুমি স্বাধীন হওআমার স্বাধীনতা তুমি স্বাধীন হও। এই ভূ-খন্ডের সপ্নীল
তারও আগের গানটিও ছিলো আমাদের সম্ভ্রান্ত বিজয়েরছিলো আমাদের স্বকীয়তায় পল্লবিত বৃক্ষের সারিআমাদের ইতিহাসের এক আশ্চর্য নাম ষোলো ডিসেম্বরতোমরা তো জানোই
প্রাচ্যের গানের মতো শোকাহত, কম্পিত, চঞ্চল বেগবতী তটিনীর মতো স্নিগ্ধ, মনোরম আমাদের নারীদের কথা বলি, শোনো। এ-সব রহস্যময়ী রমণীরা পুরুষের
স্বাধীনতা মুক্ত পাখি দরজা-খোলা খাঁচা ধল প্রভাতে দিন কি রাতে বীরচেতনায় বাঁচা। স্বাধীনতা শ্বেতকপোতী শঙ্খচিলের ডানা ঝলমলানো স্বর্ণালি রোদ স্বচ্ছ
কী সুন্দর ফোটে ফুল বারান্দার টবেনানা রঙ পাখি এসে শিস দেয় মগডালে বসে।কতনা নিভৃতে আরো নয়নাভিরাম কুঁচফল গাছে গাছে ধরেআলো