উত্তাল সমুদ্রবক্ষের দুর্বিনীত তরঙ্গমালা কি জানে,
তোমার জন্য সৃষ্ট এ হৃদস্পন্দনের কম্পন?
যদি জানতো, তবে থামিয়ে দিত সেই প্রবল জলরাশি
ঢেউয়ে ঢেউয়ে লিখা হত আবেগঘন কথন।
ভরা বর্ষায় দুর্নিবার বয়ে চলা হিমছড়ির ঝর্ণা কি শুনেছে
দুটি হৃদয় একীভূত হওয়ার অনুভূতি?
যদি পেত শুনতে সেই আকুল হৃদয়ের কথোপকথন
সত্ত্বর থামিয়ে দিত তার উচ্ছ্বল গতি।
কবিতা চত্বরের ঝাউবন কি জানতে পেরেছে, বুকের তপ্ত
নিঃশ্বাস দিয়ে লিখেছি তোমায় নিয়ে কবিতা?
যদি জানতো, ঝাউবনের পাতারা সব হয়ে যেত খাতা, ছত্রে ছত্রে দীপ্তি ছড়াতো অমর সবিতা।
মহেশখালীর আদিনাথ পাহাড় কি জানে, তার চাইতেও উঁচু হিমালয় পর্বতকেও ছাড়িয়ে যাবে আবেগী মন?
এ প্রগাঢ় ভালোবাসা প্রতিক্ষণে তাই হৃদয়-দর্পণে প্রদর্শন করে উদ্দাম আবেগের প্রতিফলন।
সেন্টমার্টিনের প্রবালগুলো কি শুনতে পায়, অব্যক্ত থেকেও চোখের চাহনিতে বলা হাজারো শব্দমালা?
যদি শুনত এই জনম জনমের প্রণয় উপাখ্যান, বর্ষণ করত পুষ্পবৃষ্টি, অভিবাদন জানাতো মোদের দিয়ে বরণডালা।
